ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ , ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প

স্বার্থ রক্ষায় ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি নয়াদিল্লির

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের চুক্তিগুলো পর্যালোচনার বিষয়ে এখনো ঢাকার আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি ভারত; তবে নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৭ বার পঠিত
স্বার্থ রক্ষায় ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি নয়াদিল্লির ছবি: সংগৃহীত
ভারতের সঙ্গে গণ অভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাংলাদেশ পর্যালোচনা করছে; এমন খবরের পর নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ‘প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নয়াদিল্লি। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
 
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, চুক্তিগুলো পর্যালোচনার বিষয়ে ঢাকার কাছ থেকে ভারত এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি।
 
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তারা দেখেছেন। তবে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে কিছু জানায়নি। একই সঙ্গে ভারতের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
 
বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জাতীয় স্বার্থের দিক বিবেচনা করে আগের সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করছে বলে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি জানিয়েছে।
 
দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি গত সপ্তাহে বলেন, ১০১টি এমওইউসহ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই এর ফল জানা যাবে।
 
পর্যালোচনার আওতায় থাকা বিষয়গুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের ব্যবস্থা, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় প্রকল্প রয়েছে। তবে এসব চুক্তি একযোগে বাতিল করা হবে; এমন কোনো ঘোষণা ঢাকা দেয়নি।
 
ভারতের সরকারি নথিতেও বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার, উপকূলীয় নৌপরিবহন, অভ্যন্তরীণ নৌপথে ট্রানজিট ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন চুক্তির উল্লেখ রয়েছে।
 
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, ট্রানজিট, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন।
 
ভারত এর আগে বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্পে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণসহায়তা দিয়েছে। দুই দেশের বিভিন্ন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি বন্দর ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।
 
পানি বণ্টনও দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তিও এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
 
এ বিষয়ে জয়সওয়াল বলেন, অভিন্ন নদীগুলোর পানি নিয়ে আলোচনা চালানোর জন্য দুই দেশের বিদ্যমান ব্যবস্থাগুলো কার্যকর রয়েছে।
 
তিনি বলেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির আওতায় যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে পানি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং কারিগরি পর্যায়েও বৈঠক অব্যাহত রয়েছে।
 
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে উল্লেখ করে জয়সওয়াল বলেন, পানি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো যৌথ নদী কমিশনসহ প্রতিষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
 
১০১টি চুক্তি ও এমওইউ পর্যালোচনার ফলাফলের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন কোন চুক্তি বহাল রাখবে, কোনগুলো সংশোধন করতে চাইবে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন করে আলোচনা বা পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেবে; সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
 
এদিকে ভারত বলছে, এ বিষয়ে ঢাকার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
 
 
সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।