তিউনিসিয়ায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন দূত জোয়ি হুড আল জাজিরাকে এসব কথা জানিয়েছেন। মূলত হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার বিষয়ে কথা বলছিলেন তিনি।
শিপিং কোম্পানিগুলোর চিন্তাভাবনার বিষয়ে জোয়ি হুড বলেন, তারা সব জাহাজে আঘাত করতে পারবে না। তাই মাঝে মাঝে দু-একটি জাহাজ হারানোর ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসায়ীরা নৌ চলাচল অব্যাহত রাখছে।
এই সাবেক কূটনীতিক জানান, ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন থাকার পর এখন বিমানবাহী রণতরীগুলোর টহল স্বাভাবিক নিয়মে ফিরেছে। সাধারণত সারাবিশ্বে ১০ বা ১১টি মার্কিন রণতরী মোতায়েন থাকে। এগুলো প্রতি ছয় মাস পর পর বদল করা হয়।
তবে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু করায় এর টহল সময়সীমা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক মাস বাড়ানো হয়।
জোয়ি হুড আরও জানান, রণতরীগুলো স্বাভাবিক টহলে ফিরলেও ইরানের ওপর মূল চাপ অব্যাহত থাকবে। কারণ নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো মার্কিন সরকার প্রায় বিনা খরচে অনির্দিষ্টকালের জন্য চালিয়ে যেতে পারবে। গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো আরও বিস্তৃত ও কঠোর হয়েছে।