‘যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দাবি, প্রয়োজন হলে যুদ্ধজাহাজ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ সময় অবরোধ বজায় রাখার সক্ষমতা রয়েছে ওয়াশিংটনের।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১২:০৮:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১২:০৮:২৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হামলার ঝুঁকি রয়েছে। এরপরও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ ব্যবহার বন্ধ করছে না সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানিগুলো। বরং তারা কিছু ক্ষতি মেনে নিয়েই নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, কোনোভাবেই তারা একটি নির্দিষ্ট দেশের চাপিয়ে দেওয়া নতুন আঞ্চলিক আধিপত্য মেনে নিতে রাজি নয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
তিউনিসিয়ায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন দূত জোয়ি হুড আল জাজিরাকে এসব কথা জানিয়েছেন। মূলত হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার বিষয়ে কথা বলছিলেন তিনি।
শিপিং কোম্পানিগুলোর চিন্তাভাবনার বিষয়ে জোয়ি হুড বলেন, তারা সব জাহাজে আঘাত করতে পারবে না। তাই মাঝে মাঝে দু-একটি জাহাজ হারানোর ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসায়ীরা নৌ চলাচল অব্যাহত রাখছে।
এই সাবেক কূটনীতিক জানান, ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন থাকার পর এখন বিমানবাহী রণতরীগুলোর টহল স্বাভাবিক নিয়মে ফিরেছে। সাধারণত সারাবিশ্বে ১০ বা ১১টি মার্কিন রণতরী মোতায়েন থাকে। এগুলো প্রতি ছয় মাস পর পর বদল করা হয়।
তবে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু করায় এর টহল সময়সীমা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক মাস বাড়ানো হয়।
জোয়ি হুড আরও জানান, রণতরীগুলো স্বাভাবিক টহলে ফিরলেও ইরানের ওপর মূল চাপ অব্যাহত থাকবে। কারণ নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো মার্কিন সরকার প্রায় বিনা খরচে অনির্দিষ্টকালের জন্য চালিয়ে যেতে পারবে। গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো আরও বিস্তৃত ও কঠোর হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।