লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে নিহত মা ও তাঁর তিন মেয়েকে অশ্রুসিক্ত পরিবেশে শেষ বিদায় জানাল পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য, ১৬ বছর বয়সী জুনায়েদ ইসলাম সিফাত। মাত্র এক দিন আগেও যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিল, ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিল, শুক্রবার তাঁদের চারজনের জানাজায় দাঁড়িয়ে নীরবে শেষ বিদায় জানাতে হয় তাকে।
ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো রায়পুরে আনা হয়। জানাজায় স্বজন, প্রতিবেশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ শত শত মানুষ অংশ নেন। পরে পরিবারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য মরদেহগুলো কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় নেওয়া হয়।
ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক। তবে নিহতদের মাথা, বুক ও হাতে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহত শাহীনুর বেগমের ছেলে জুনায়েদ ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, পরিবারের কর্তা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার পর শাহীনুর বেগম একাই চার সন্তানকে নিয়ে সংগ্রাম করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু রায়পুরের একটি ভাড়া বাসায় সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় সেই সংগ্রামের গল্প। এখন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনায়েদ ইসলামের সামনে রয়ে গেছে শুধু মা ও তিন বোনকে হারানোর অসহনীয় স্মৃতি এবং অনিশ্চিত এক ভবিষ্যৎ।
এই হৃদয়বিদারক ঘটনার সর্বশেষ আপডেট, তদন্তের অগ্রগতি, মামলা ও জানাজার বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ুন।
ডেস্ক রিপোর্ট