আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মুখে নিজেদের রণকৌশলগত সক্ষমতা প্রদর্শনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান। দীর্ঘ ২২ দিন ধরে চলা সংঘাতের মধ্যেই তেহরান প্রথমবারের মতো তাদের ভূগর্ভস্থ গোপন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির চিত্র জনসমক্ষে এনেছে। ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) প্রকাশিত এসব ছবিতে দেখা যায়, মাটির গভীরে সুরক্ষিত বিশাল এক সামরিক স্থাপনায় সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে অত্যাধুনিক দূরপাল্লার মিসাইল। ইরান এই অস্ত্রভাণ্ডারকে তাদের প্রকৃত শক্তির 'হিমশৈলের চূড়া' (Tip of the iceberg) হিসেবে অভিহিত করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে কড়া বার্তা দিয়েছে।
সংঘাতের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে 'সামান্য অভিযান' বলে দাবি করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে ইরানের সামরিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। তবে তেহরানের এই সাম্প্রতিক প্রদর্শনী ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত পশ্চিমা সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে এই মিসাইলগুলো। ইরানের এই রণপ্রস্তুতি প্রমাণ করে যে, তারা দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক মহল আশঙ্কা করছে, এই শক্তি প্রদর্শনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বিস্তৃত হতে পারে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
ডেস্ক রিপোর্ট