ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬ , ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে নাফ নদ থেকে ৭ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি মে মাসে আসছে সাড়ে পাঁচ লাখ টন জ্বালানি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু: পরমাণু শক্তির অভিজাত ক্লাবে বাংলাদেশ থানায় হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ: অনলাইনে জিডি ও সিসিটিভি মনিটরিং জোরদার 'জেলে যাওয়ার কৌতূহলে' ১১ বছরের শিশুকে হত্যা, গ্রেফতার ৬ কিশোর রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু ২৮ এপ্রিল: আগস্টে গ্রিডে আসছে বিদ্যুৎ প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব বিপজ্জনক: ট্রাম্প রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২, আহত ২১ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের দেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার, রুমমেট গ্রেফতার সোমালিয়া উপকূলে তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই, ১৭ নাবিক জিম্মি হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা : তেলের দাম ১০৬ ডলারের ওপরে আগামীকাল টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় রেল ও লঞ্চের ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, বাসে কিলোমিটারে বাড়ছে ১১ পয়সা মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে বিটিআরসির জরুরি বৈঠক: সংকটে টেলিযোগাযোগ এস আলম গ্রুপের সঙ্গে বিএনপি সরকারের সমঝোতা হয়নি, সংসদে অর্থমন্ত্রী আজ থেকে শুরু সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই, চলবে দুই দিন অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যের 'গরম পানি পান', স্পিকারের ক্ষোভ আগাম বন্যার শঙ্কায় সুনামগঞ্জে দ্রুত ধান কাটার আহ্বান পাউবোর দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতায় জাপান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক, আহত ৫

ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ

  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৩:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন
ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ ছবি: সংগৃহীত

আজকের এই দিনটি বিশ্ব মুসলিমের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় জুলুম, নির্যাতন এবং সবশেষে জন্মভিটা ত্যাগে বাধ্য হওয়া মুসলমানদের জন্য মক্কা বিজয় ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহাপুরস্কার।

 

​মহান আল্লাহ মুসলমানদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়েছেন। ইসলাম গ্রহণের জন্য এমন কোনো কষ্ট নেই- যা তারা সহ্য করেননি। সবশেষ জন্মভিটাও ছাড়তে বাধ্য করে কাফেররা।

 

ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তাঁর দ্বীন ও রসুলকে শক্তিশালী করেছেন। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং হারামে মাক্কীর সম্মান বৃদ্ধি করেছেন।

 

এই বিজয়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার ঘর ও শহরকে এবং সমস্ত বিশ্ববাসীর হেদায়াতের কেন্দ্রস্থলকে কাফের-মুশরিকদের থেকে মুক্ত করেছেন। এই বিজয়ে আসমানের অধিবাসীগণ খুশী হয়েছিল এবং এই বিজয়ের ফলেই দলে দলে লোক ইসলামে প্রবেশ করেছিল।

 

অষ্টম হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)দশ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। বের হওয়ার সময় আবু রুহম কুলছুম বিন হুসাইনকে মদ্বীনার খলীফা নির্বাচন করলেন।

 

মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল এবং খোযায়া গোত্রের উপর রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাদেরকে অকাতরে হত্যা করেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক খোযায়া গোত্র নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবিদের নিয়ে মাররুজ-জহরানে পৌঁছলে রাতের বেলা আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। আগুনের আলোতে আশে-পাশের অঞ্চল আলোকিত হয়ে গেল।

 

মক্কাবাসীদের কাছে মুসলিম বাহিনীর খবর ছিল না। তবে তাদের অন্তরে আশঙ্কা ছিল যে, যে কোনো সময় মুসলিম বাহিনী মক্কায় আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তারা (মুসলিম বাহিনী ) চলে আসবে- এটি তাদের ধারণায় ছিলনা।
 

​নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজাহিদ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবা ঘরের দিকে গেলেন। তার চার পাশে আনসার ও মুহাজিরগণ ঘিরে ছিল।

কাবায় গিয়ে তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাতে একটি ধনুক ছিল। সে সময় কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

 

অর্থ: বলুন! সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা বনী ইসরাইল: ৮)

 

নবীজি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে বাইরে আসলেন। কুরাইশরা তখন সারিবদ্ধভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে অবস্থান করছিল।

 

 

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সঙ্গে আজ আমি কেমন আচরণ করবো বলে মনে করো? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। ইউসুফ (আ.) তার ভাইদেরকে যা বলেছিলেন আজ আমিও তোমাদের সঙ্গে তাই বলছি। আজ তোমাদের উপর কোনো অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হিমন্ত বিশ্ব শর্মার মন্তব্যে ঢাকার তীব্র প্রতিবাদ: ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব

হিমন্ত বিশ্ব শর্মার মন্তব্যে ঢাকার তীব্র প্রতিবাদ: ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব