ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন

ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৩:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫৩ বার পঠিত
ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ ছবি: সংগৃহীত

আজকের এই দিনটি বিশ্ব মুসলিমের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় জুলুম, নির্যাতন এবং সবশেষে জন্মভিটা ত্যাগে বাধ্য হওয়া মুসলমানদের জন্য মক্কা বিজয় ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহাপুরস্কার।

 

​মহান আল্লাহ মুসলমানদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়েছেন। ইসলাম গ্রহণের জন্য এমন কোনো কষ্ট নেই- যা তারা সহ্য করেননি। সবশেষ জন্মভিটাও ছাড়তে বাধ্য করে কাফেররা।

 

ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তাঁর দ্বীন ও রসুলকে শক্তিশালী করেছেন। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং হারামে মাক্কীর সম্মান বৃদ্ধি করেছেন।

 

এই বিজয়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার ঘর ও শহরকে এবং সমস্ত বিশ্ববাসীর হেদায়াতের কেন্দ্রস্থলকে কাফের-মুশরিকদের থেকে মুক্ত করেছেন। এই বিজয়ে আসমানের অধিবাসীগণ খুশী হয়েছিল এবং এই বিজয়ের ফলেই দলে দলে লোক ইসলামে প্রবেশ করেছিল।

 

অষ্টম হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)দশ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। বের হওয়ার সময় আবু রুহম কুলছুম বিন হুসাইনকে মদ্বীনার খলীফা নির্বাচন করলেন।

 

মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল এবং খোযায়া গোত্রের উপর রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাদেরকে অকাতরে হত্যা করেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক খোযায়া গোত্র নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবিদের নিয়ে মাররুজ-জহরানে পৌঁছলে রাতের বেলা আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। আগুনের আলোতে আশে-পাশের অঞ্চল আলোকিত হয়ে গেল।

 

মক্কাবাসীদের কাছে মুসলিম বাহিনীর খবর ছিল না। তবে তাদের অন্তরে আশঙ্কা ছিল যে, যে কোনো সময় মুসলিম বাহিনী মক্কায় আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তারা (মুসলিম বাহিনী ) চলে আসবে- এটি তাদের ধারণায় ছিলনা।
 

​নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজাহিদ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবা ঘরের দিকে গেলেন। তার চার পাশে আনসার ও মুহাজিরগণ ঘিরে ছিল।

কাবায় গিয়ে তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাতে একটি ধনুক ছিল। সে সময় কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

 

অর্থ: বলুন! সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা বনী ইসরাইল: ৮)

 

নবীজি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে বাইরে আসলেন। কুরাইশরা তখন সারিবদ্ধভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে অবস্থান করছিল।

 

 

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সঙ্গে আজ আমি কেমন আচরণ করবো বলে মনে করো? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। ইউসুফ (আ.) তার ভাইদেরকে যা বলেছিলেন আজ আমিও তোমাদের সঙ্গে তাই বলছি। আজ তোমাদের উপর কোনো অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।