ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ , ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারীপুরে পত্রিকাবাহী পিকাপ-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ বন্দিদশায় অপহৃত নাইজেরিয়ার অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের মৃত্যু বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধামাকা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি কার্যকর দাউদকান্দি থেকে অপহৃত শিবির নেতা জিসান ২৩ ঘণ্টা পর সংকটাপন্ন অবস্থায় লাকসাম থেকে উদ্ধার, হাসপাতালে ভর্তি ‘বোরকার আড়ালে অন্য কেউ থাকার ইঙ্গিত বাস্তবতাবিবর্জিত’: সংসদে হিজাব নিয়ে মন্তব্যে আলেম সমাজের তীব্র ক্ষোভ দিল্লি বিমানবন্দরে অসৌজন্যমূলক আচরণ! আইএলও সম্মেলনে না গিয়েই ক্ষোভ নিয়ে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ১ ঘণ্টা আগে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা! নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের চরম ক্ষোভ সীমান্তে জনমিতিক পরিবর্তন খতিয়ে দেখতে গঠিত কমিটিকে পূর্ণ সহায়তার নির্দেশ অমিত শাহের: পুশব্যাক আতঙ্কে বাংলাদেশ! লাইনের সক্ষমতা নেই ভারতের! চুক্তি হলেও ঢাকায় আসছে না নেপালের বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সুশাসন নিশ্চিত ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা: ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ বাতিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রশাসক নিয়োগ অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে বড় উদ্যোগ: বরিশাল ও লালমনিরহাটে নতুন ইপিজেড; গাজীপুর, বরগুনা ও পিরোজপুরে হচ্ছে অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘বাংলাদেশ-ভারত এক হয়ে যাওয়া’র বক্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী: ভারতীয় হাইকমিশনারের মন্তব্যে জামায়াতের তীব্র প্রতিবাদ সংসদে নারী এমপিদের হিজাব নিয়ে কটূক্তি ও দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদ: আজ রাতেই ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিলের ডাক ৭ দিনেই ৪২৪০ কোটি টাকা প্রত্যাহার: ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গভর্নরের জরুরি তলব হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল: শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের, ৩ দিনের আলটিমেটাম! আদালতের নির্দেশে কেনেডি সেন্টার থেকে সরানো হলো ট্রাম্পের নাম বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত? দেশীয় ভোজ্যতেল শিল্পে ১০ বছরের কর সুবিধা, দাম কমার সম্ভাবনা বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা শান্তি চুক্তি না হলে ইরানে ‘বিধ্বংসী’ হামলার হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ

  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৩:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন
ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ ছবি: সংগৃহীত

আজকের এই দিনটি বিশ্ব মুসলিমের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় জুলুম, নির্যাতন এবং সবশেষে জন্মভিটা ত্যাগে বাধ্য হওয়া মুসলমানদের জন্য মক্কা বিজয় ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহাপুরস্কার।

 

​মহান আল্লাহ মুসলমানদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়েছেন। ইসলাম গ্রহণের জন্য এমন কোনো কষ্ট নেই- যা তারা সহ্য করেননি। সবশেষ জন্মভিটাও ছাড়তে বাধ্য করে কাফেররা।

 

ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তাঁর দ্বীন ও রসুলকে শক্তিশালী করেছেন। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং হারামে মাক্কীর সম্মান বৃদ্ধি করেছেন।

 

এই বিজয়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার ঘর ও শহরকে এবং সমস্ত বিশ্ববাসীর হেদায়াতের কেন্দ্রস্থলকে কাফের-মুশরিকদের থেকে মুক্ত করেছেন। এই বিজয়ে আসমানের অধিবাসীগণ খুশী হয়েছিল এবং এই বিজয়ের ফলেই দলে দলে লোক ইসলামে প্রবেশ করেছিল।

 

অষ্টম হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)দশ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। বের হওয়ার সময় আবু রুহম কুলছুম বিন হুসাইনকে মদ্বীনার খলীফা নির্বাচন করলেন।

 

মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল এবং খোযায়া গোত্রের উপর রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাদেরকে অকাতরে হত্যা করেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক খোযায়া গোত্র নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবিদের নিয়ে মাররুজ-জহরানে পৌঁছলে রাতের বেলা আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। আগুনের আলোতে আশে-পাশের অঞ্চল আলোকিত হয়ে গেল।

 

মক্কাবাসীদের কাছে মুসলিম বাহিনীর খবর ছিল না। তবে তাদের অন্তরে আশঙ্কা ছিল যে, যে কোনো সময় মুসলিম বাহিনী মক্কায় আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তারা (মুসলিম বাহিনী ) চলে আসবে- এটি তাদের ধারণায় ছিলনা।
 

​নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজাহিদ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবা ঘরের দিকে গেলেন। তার চার পাশে আনসার ও মুহাজিরগণ ঘিরে ছিল।

কাবায় গিয়ে তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাতে একটি ধনুক ছিল। সে সময় কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

 

অর্থ: বলুন! সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা বনী ইসরাইল: ৮)

 

নবীজি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে বাইরে আসলেন। কুরাইশরা তখন সারিবদ্ধভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে অবস্থান করছিল।

 

 

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সঙ্গে আজ আমি কেমন আচরণ করবো বলে মনে করো? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। ইউসুফ (আ.) তার ভাইদেরকে যা বলেছিলেন আজ আমিও তোমাদের সঙ্গে তাই বলছি। আজ তোমাদের উপর কোনো অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দুবাই বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় ধরা খেলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর: ইন্টারপোলের রেড নোটিশে অবশেষে গ্রেপ্তার!

দুবাই বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় ধরা খেলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর: ইন্টারপোলের রেড নোটিশে অবশেষে গ্রেপ্তার!