ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ

ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৩:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৮ বার পঠিত
ঐতিহাসিক ২০ রমাদান: সত্যের জয় ও মক্কা বিজয়ের মহান দিন আজ ছবি: সংগৃহীত

আজকের এই দিনটি বিশ্ব মুসলিমের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ বছরের অবর্ণনীয় জুলুম, নির্যাতন এবং সবশেষে জন্মভিটা ত্যাগে বাধ্য হওয়া মুসলমানদের জন্য মক্কা বিজয় ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহাপুরস্কার।

 

​মহান আল্লাহ মুসলমানদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়েছেন। ইসলাম গ্রহণের জন্য এমন কোনো কষ্ট নেই- যা তারা সহ্য করেননি। সবশেষ জন্মভিটাও ছাড়তে বাধ্য করে কাফেররা।

 

ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তাঁর দ্বীন ও রসুলকে শক্তিশালী করেছেন। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং হারামে মাক্কীর সম্মান বৃদ্ধি করেছেন।

 

এই বিজয়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার ঘর ও শহরকে এবং সমস্ত বিশ্ববাসীর হেদায়াতের কেন্দ্রস্থলকে কাফের-মুশরিকদের থেকে মুক্ত করেছেন। এই বিজয়ে আসমানের অধিবাসীগণ খুশী হয়েছিল এবং এই বিজয়ের ফলেই দলে দলে লোক ইসলামে প্রবেশ করেছিল।

 

অষ্টম হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)দশ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। বের হওয়ার সময় আবু রুহম কুলছুম বিন হুসাইনকে মদ্বীনার খলীফা নির্বাচন করলেন।

 

মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল এবং খোযায়া গোত্রের উপর রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাদেরকে অকাতরে হত্যা করেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক খোযায়া গোত্র নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবিদের নিয়ে মাররুজ-জহরানে পৌঁছলে রাতের বেলা আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। আগুনের আলোতে আশে-পাশের অঞ্চল আলোকিত হয়ে গেল।

 

মক্কাবাসীদের কাছে মুসলিম বাহিনীর খবর ছিল না। তবে তাদের অন্তরে আশঙ্কা ছিল যে, যে কোনো সময় মুসলিম বাহিনী মক্কায় আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তারা (মুসলিম বাহিনী ) চলে আসবে- এটি তাদের ধারণায় ছিলনা।
 

​নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজাহিদ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবা ঘরের দিকে গেলেন। তার চার পাশে আনসার ও মুহাজিরগণ ঘিরে ছিল।

কাবায় গিয়ে তিনি(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাতে একটি ধনুক ছিল। সে সময় কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

 

অর্থ: বলুন! সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা বনী ইসরাইল: ৮)

 

নবীজি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে বাইরে আসলেন। কুরাইশরা তখন সারিবদ্ধভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে অবস্থান করছিল।

 

 

তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সঙ্গে আজ আমি কেমন আচরণ করবো বলে মনে করো? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। ইউসুফ (আ.) তার ভাইদেরকে যা বলেছিলেন আজ আমিও তোমাদের সঙ্গে তাই বলছি। আজ তোমাদের উপর কোনো অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।