বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা ভয়ংকর রূপ দারণ করেছে।। পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধু এ মাসেই একাধিক নির্মম ধর্ষণের ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। নানা বয়সী নারী ও মেয়েদের ওপর শারীরিক ও যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। শিশু, কিশোরী ও যুবতী সহ দেশের নানা বয়সের নারী এই অপরাধের শিকার হচ্ছেন। অপরাধীদের অনেক সময় দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না এবং কখনো অপরাধী কে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলেও বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতির।
ধর্ষণের শিকারদের পরিবার সামাজিক ও মানসিক চাপে থাকেন। মামলা দায়ের হয়, সেগুলোরও বড় অংশ বিচারহীন থেকে যায়। কোর্টের দীর্ঘ সময়, প্রমাণের অভাব এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে এসব ধর্ষণ মামলার বিচার মেলে না। এর ফলে ধর্ষকদের অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়া এবং সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার অভাব দেখা দেয়।
বিচারহীনতার এই ধারা দেশের নারী নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকাররা সামাজিক, মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে অপরাধীদের অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়ছে।
এ অবস্থায় নাগরিক সমাজ, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে তৎপর হতে হবে। দ্রুত, ন্যায্য ও স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং নারী ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। ধর্ষণ প্রতিরোধে শিক্ষামূলক কর্মসূচি, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক সমর্থনও অপরিহার্য।
ডেস্ক রিপোর্ট