ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সাত দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ৭৯ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে রেমিট্যান্সে প্রায় ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, ১–৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসা ৭৯৩ মিলিয়ন ডলার দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) প্রায় ৯ হাজার ৬৭৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার সমান। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে বছরে ব্যবধানে বেড়েছে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে এই গতি বজায় থাকায় সামগ্রিক মাসিক হিসাবে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যেতে পারে। প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২০,২২৬ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১৬,৬১৭ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরভিত্তিক হিসাবে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১.৭ শতাংশ।
এদিকে সদ্য সমাপ্ত জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকার সমান। ধারাবাহিকভাবে বেশি রেমিট্যান্স আসা আমদানি ব্যয় মেটানো, মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে তারল্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট