যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে শনিবার সন্ধ্যায় কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও নয় মাস বয়সী শিশুসন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাগেরহাটে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনার পর সব আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি কারাগারে আনা হয়।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী প্রথমে তার শিশুসন্তানকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন এবং পরে নিজেও আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
নিহত স্বর্ণালীর স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিক চাপ ও হতাশায় ভুগছিলেন। স্বামীর মুক্তির আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ বলেন, শনিবার সন্ধ্যার পর নিয়ম অনুযায়ী মরদেহ দুটি কারাগারে আনা হয়। এ সময় পরিবারের চার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সাদ্দামকে স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
এই ঘটনাটি পারিবারিক সংকট, দীর্ঘ কারাবাস এবং মানসিক চাপের প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেস্ক রিপোর্ট