গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি
সাংবাদিকদের অধিকার, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ও অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
- আপলোড সময় : ২০-১০-২০২৬ ১২:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-১০-২০২৬ ১২:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে এ ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে কাজ করলে তা সবচেয়ে বেশি জনগণের উপকারে আসে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণমাধ্যমকর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি বন্ধ, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করাসহ পেশার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংগঠনগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনটির কার্যক্রম এবং সদস্যদের কল্যাণে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে। সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতাও কামনা করেন তাঁরা। পাশাপাশি ডিআরইউ আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিতে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন। সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। এ ছাড়া ডিআরইউর উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে সদস্যদের আশ্বস্ত করেন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।