হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ দাবি করে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র
গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্পের দাবিতে তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনা আরও তীব্র
- আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ১১:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ১১:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে নতুন ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করা ওই মানচিত্রে প্রণালিটির ওপর ‘নিউ ইউএস টেরিটরি’ লেখা রয়েছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। শুক্রবার ২১ আগস্ট দক্ষিণ ক্যারোলিনায় এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি প্রণালিটিকে ‘আমেরিকান ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন। এর কয়েক দিন আগে তিনি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণা করার কথা বলেছিলেন।
প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। যুদ্ধের আগে বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করত। প্রণালিটির এক পাশে ইরান এবং অন্য পাশে ওমান অবস্থিত।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রণালিতে নৌ অবরোধ বজায় রাখার কথা জানালেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, জলপথটি সচল রয়েছে এবং সেখানে থাকা মাইন সরানো বা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অন্যদিকে ইরান প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন শর্তের কথা জানিয়েছে।
ট্রাম্পের মানচিত্র প্রকাশের পর ইরান থেকেও এর বিরোধিতা করা হয়েছে। তেহরান হরমুজের ওপর মার্কিন সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।