পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বড় আকৃতির কয়েকটি ছাগল স্থানীয়দের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ৭৬ কেজি ওজনের একটি ছাগল দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। দূর থেকে দেখতে ছোটখাটো বাছুরের মতো লাগা এসব ছাগল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা চলছে।
সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আমিরুল ইসলাম–এর খামারে বড় হওয়া তিনটি ছাগল এখন স্থানীয়ভাবে বেশ পরিচিত। ছাগলগুলোর ওজন যথাক্রমে ৭৬, ৬৪ ও ৫৪ কেজি। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা খামারে এসে ছাগলগুলো দেখছেন, ছবি তুলছেন এবং ভিডিও ধারণ করছেন।
খামার মালিক জানান, বিদেশে চাকরির পাশাপাশি শখের বসে কয়েক বছর আগে ছাগল পালন শুরু করেন তিনি। শুরুতে একটি পুরুষ ও দুটি মাদি ছাগল দিয়ে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে তার খামারে ৩৮টি ছাগল রয়েছে। পাশাপাশি তিনি মাছের ঘের, কবুতর পালন ও ঘাস চাষের কাজও করছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছর ধরে ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বড় আকৃতির ছাগল প্রস্তুত করছেন তিনি। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও বিশেষ পরিচর্যার মাধ্যমে এবার তিনটি ছাগলকে আলাদাভাবে লালন-পালন করা হয়েছে।
খামারে গিয়ে দেখা যায়, সাদা, খয়েরি ও কালো রঙের ছাগলগুলো আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। নিয়মিত গোসল করানোসহ সার্বক্ষণিক পরিচর্যায় নিয়োজিত রয়েছেন খামারের কর্মীরা। খাবার হিসেবে ভুসি, কুঁড়া, খইল, পালিশ ও তাজা ঘাস দেওয়া হচ্ছে।
আমিরুল ইসলাম জানান, জীবন্ত ওজন অনুযায়ী প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে ছাগল বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে ৬৪ কেজি ওজনের একটি ছাগল বিক্রি হয়েছে ৪৪ হাজার ৮০০ টাকায়।
খামারে ছাগল দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় আকৃতির ছাগল সচরাচর দেখা যায় না। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে খামারে আসছেন।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন বলেন, দেশে সাধারণত ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল বেশি দেখা গেলেও ক্রস জাতের ছাগল তুলনামূলক বড় হয়। সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা গেলে এসব ছাগলের বাজারমূল্যও ভালো পাওয়া যায়।
ডেস্ক রিপোর্ট