জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে : ডিআইজি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৬ ১২:২০:৫১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ১২:২০:৫১ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৯ বার পঠিত
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি। এলাকায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
রাষ্ট্রের ভিতর আলাদা রাষ্ট্র হয়ে ওঠা সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী চক্রের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি) মোহাম্মদ আহসান হাবীব পলাশ। গতকাল দুপুরে অভিযান নিয়ে সলিমপুরের প্রবেশমুখে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। তিনি বলেন, এর আগে চারবার এই এলাকায় অভিযান চালানোর চেষ্টা করা হলেও সফল হওয়া যায়নি। এবার পঞ্চমবারের মতো অভিযান চালিয়ে যৌথ বাহিনী সফল হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটরা অংশ নেন। সম্মিলিত এই অভিযানের মাধ্যমে এলাকায় রাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta
অভিযানের পর এলাকায় স্থায়ীভাবে দুটি ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে। এখানে বাংলাদেশ পুলিশের একটি ক্যাম্প এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের একটি ক্যাম্প চালু থাকবে। যাতে ভবিষ্যতে এ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা যায়। জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বিভাগীয় কমিশনারকে অনুরোধ জানান তিনি।
মোহাম্মদ আহসান হাবীব পলাশ বলেন, প্রায় ২০০৩ সাল থেকে একটি চক্র সরকারি নিয়মকানুন উপেক্ষা করে এখানে অবৈধভাবে জমির কাগজ তৈরি, জমি দখল ও হস্তান্তরের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এলাকায় প্রবেশ করতে ভয় পেত।
তিনি বলেন, অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তবে এখানে নেটওয়ার্কের অনেক প্রবলেম। তাই ডিটেইলস এখনো বলতে পারছি না। এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখনো বিভিন্ন ইউনিট পুরোপুরি রিপোর্ট না দেওয়ায় চূড়ান্ত সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।
ডিআইজি বলেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার উপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, যা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তীতে তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়ে আরো অস্ত্র উদ্ধার করা যাবে। তিনি বলেন, এটি অনেক বড় এলাকা। পুরো এলাকায় এখনো তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোথাও কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, অভিযান শেষে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার রাখা হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আবার মাথাচাড়া দিতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।