ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ , ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

পরিযায়ী পাখি শিকার : অতিথি পাখিদের মৃত্যু ফাঁদ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৬১ বার পঠিত
পরিযায়ী পাখি শিকার : অতিথি পাখিদের মৃত্যু ফাঁদ সংগৃহীত
শীতকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন হাওর, নদী, বিল ও জলাভূমিতে পরিযায়ী পাখিদের আগমন লক্ষ্য করা যায়। তবে এই নিরীহ অতিথিরা প্রায়শই নিরাপত্তার বদলে মৃত্যুর ফাঁদে পতিত হচ্ছে। অবৈধ পাখি শিকার একটি সংগঠিত ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যা পরিবেশ, নৈতিকতা এবং মানবিকতার বিরুদ্ধে।
পরিযায়ী পাখি ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দেশান্তরিত হয়। শীতকালে তারা মূলত সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, চীন, রাশিয়া ও ইউরোপের শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার উষ্ণ আবহাওয়ায় আসে। বাংলাদেশের উষ্ণ আবহাওয়া, জলাভূমি ও প্রাচুর্যপূর্ণ খাবার তাদের আকৃষ্ট করে।
এই পাখিরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। তারা পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করে, জলজ পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এবং খাদ্যশৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, যা পরিবেশ এবং মানবিকতার জন্য ক্ষতিকর।
শিকার আজ একটি সুসংগঠিত অবৈধ ব্যবসা। হাওর, লেক এবং নদীতীরবর্তী অঞ্চলে শিকারীরা ফাঁদ ব্যবহার করে পাখি হত্যা করে। পরে এসব পাখি শহরের বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্রে বিক্রি হয়।
অর্থনৈতিক লোভ এবং দরিদ্র মানুষের সহজ আয়ের আকাঙ্ক্ষা এই ব্যবসার মূল চালিকা শক্তি। মধ্যস্বত্বভোগী এবং ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা অর্জন করে। শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন, এটি শুধুমাত্র পরিবেশগত অপরাধ নয়, বরং একটি বড় নৈতিক ও মানবিক চ্যালেঞ্জ।
সচেতনতা বৃদ্ধি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করলে এই অন্ধকার ব্যবসার অবসান ঘটানো সম্ভব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা ও প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করা যায়। ছোট উদ্যোগ, যেমন- পোস্টার, সচেতনতা সভা এবং অনলাইন প্রচারণা সব মিলিয়ে বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।
পরিযায়ী পাখি আমাদের অতিথি। তাদের হত্যা না করে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক এবং মানবিক দায়িত্ব। যদি আমরা আজই পদক্ষেপ না নেই, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের আকাশ নীরব, হাওর-বিল শূন্য হয়ে পড়বে। সচেতনতা, আইন প্রয়োগ এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে এই বিপজ্জনক ব্যবসার অবসান সম্ভব।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।