গাইবান্ধার শিক্ষকদের সাংবাদিকতা ও আইন পেশায় যুক্ত থাকার তথ্য তলব: নীতিমালা লঙ্ঘনের পর্যবেক্ষণ শুরু
- আপলোড সময় : ১১-১২-২০২৫ ০৯:২৬:৫২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-১২-২০২৫ ০৯:২৬:৫২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৪ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
গাইবান্ধা জেলার সকল উপজেলায় শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা অথবা আইন পেশায় জড়িত শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চেয়ে পত্র জারি করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। সরকারি জনবল কাঠামো এবং সর্বশেষ এমপিও (মাসিক পরিশোধ আদেশ) নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল দায়িত্বের সঙ্গে 'আর্থিক লাভজনক' অন্য কোনো পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না—এই কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। জেলার সাতটি উপজেলার আওতাধীন এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আগামী ১৪ ডিসেম্বর, দুপুর ২টার মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমানের স্বাক্ষরযুক্ত এই নির্দেশনাপত্রটি মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) জেলার সকল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পত্রে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের আওতাধীন এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার যেসকল শিক্ষক ও কর্মচারী সাংবাদিকতা অথবা আইন পেশায় সক্রিয়, তাদের সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান জানান, নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের এ ধরনের 'আর্থিক লাভজনক' দ্বিতীয় পেশায় যুক্ত থাকার সুযোগ নেই। এই তথ্য সংগ্রহের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত নীতিমালাকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা এবং তা পর্যবেক্ষণ করা। গাইবান্ধার সাত উপজেলা থেকে সংগৃহীত এই তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের পর পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। এই পদক্ষেপটি শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল শিক্ষাদানের পেশায় পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।