অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় মোন্থা, জারি সতর্কতা ও ত্রাণ কার্যক্রম
- আপলোড সময় : ২৯-১০-২০২৫ ১২:২৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-১০-২০২৫ ১২:২৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে বাতাস নিয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে ঝড়ের প্রভাব শুরু হয় এবং তা উত্তর–উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আইএমডির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে কাকিনাড়া সংলগ্ন অঞ্চল হয়ে মাছিলিপত্তনম ও কলিঙ্গপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করবে। তখন এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, যার বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মোন্থার প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কদের দুর্যোগ মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় তৎপর থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। কৃষকদের সতর্ক করে আইএমডি জানিয়েছে, নিম্নাঞ্চলের ধান ও সবজি ফসলের ক্ষতি হতে পারে, তাই দ্রুত জমি থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উপকূলীয় এলাকার হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, তেলেঙ্গানা ও তামিলনাড়ু রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুল–কলেজ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ২৮ অক্টোবর থেকে পরবর্তী কয়েকদিন ওই সব রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। কর্তৃপক্ষ উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়ার বুলেটিন নিয়মিত অনুসরণ করতে এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।