তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানো নিয়ে আপিল শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৫ ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৫ ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা আপিলের তৃতীয় দিনের শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বুধবারের শুনানিতে নাগরিক সংগঠন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী তাঁর যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন—রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলে তা সংসদের ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলবে কিনা। একইসঙ্গে তিনি জানতে চান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলে সেটি কি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংজ্ঞায় পড়বে। রিটকারীর পক্ষে আইনজীবীরা বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এসব বিষয় রায়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) একই বেঞ্চে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে প্রথম দিনের চূড়ান্ত শুনানি হয়। সেদিন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শুরু করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, পরে বিএনপি, জামায়াত ও রাষ্ট্রপক্ষ নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে।
গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেয় আপিল বিভাগ। পরে বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার পৃথকভাবে আপিল করেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রথম সংবিধানে যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট এ রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা দেয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।