কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান
দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত সাবেক বিমানপ্রধানকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছে দুদক; সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ রয়েছে
- আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৬ ০৩:১৮:৪২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৬ ০৩:১৮:৪২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) শেখ আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত ১৫ অক্টোবর তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি ইন্টারপোলের ই-মেইলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শেখ আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। তাঁর সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানের পর এই মামলা করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁর সম্পদ ক্রোক, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৬ মে ঢাকার একটি আদালত শেখ আব্দুল হান্নানের নামে থাকা জমি, তিনটি ফ্ল্যাট, নির্মাণাধীন সাততলা ভবন এবং ছয়টি ব্যাংক হিসাব ক্রোক বা অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন। পরে ২৪ মে তাঁর নিজের, স্ত্রী তাহমিদা বেগম এবং ছেলে শেখ লাবিব হান্নানের নামে থাকা ৩৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত। এসব হিসাবে অর্থের লেনদেন বন্ধ রাখা এবং সম্পদ হস্তান্তর ঠেকাতে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল দুদক।
এ ছাড়া গত ২০ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার কিসমত মালিপাটন মৌজায় শেখ আব্দুল হান্নানের নামে থাকা ৩৪ শতাংশ জমি ক্রোকের আদেশ দেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া ওই আদেশে জমিটির দলিলমূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ-বাণিজ্য, ঘুষ গ্রহণ এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতি করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে শেখ আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশে ও বিদেশে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলছে।
শেখ আব্দুল হান্নান ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হয়নি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।