প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীন ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কারিগরি শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে প্রথমে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২৭ অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।
এরপর ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। আলোচনায় বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয় উঠে আসে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন তিনি।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর পর এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের আগ্রহ রয়েছে।
দুটি বৈঠকেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, এসব বৈঠক বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট