শনিবার (২ মে) পিরোজপুরে আয়োজিত এক কর্মশালায় মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে জনগণ তাদের দাবি আদায়ে আবারও রাজপথে নামতে পারে। তিনি দাবি করেন, এ সনদ বাস্তবায়নে বিলম্ব বা টালবাহানা করা হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে।
পিরোজপুর শহরের ‘ডাক দিয়ে যাই’ অডিটোরিয়ামে জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদে যে অঙ্গীকারগুলো করা হয়েছিল, সেগুলোর পক্ষে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ সমর্থন জানিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার এ সনদের পক্ষে মত দিয়েছে, যা বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন সরকারের ওপর বর্তায়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যাশা হলো—এই সনদের মাধ্যমে দেশে ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এ অঙ্গীকার নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল বলে তিনি দাবি করেন। তাই এখন সনদ বাস্তবায়নে ব্যর্থতা জনগণের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের সামিল হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমির তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এ কে এম ফখরুদ্দিন খান রাযী। এছাড়া জেলা সেক্রেটারি জহিরুল হকসহ বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার নেতারা কর্মশালায় অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, ‘জুলাই সনদ’ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি আলোচিত বিষয়, যা নিয়ে সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থান জনপরিসরে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট