জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
দুই দেশের ১০ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি, বাংলাদেশি কর্মীরা পাবেন সমান আইনি সুরক্ষা
- আপলোড সময় : ২০-১০-২০২৬ ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-১০-২০২৬ ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক চুক্তির আওতায় আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান। এ চুক্তির মাধ্যমে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাঁদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ‘মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট’ (ইএসডিপি-এমওসি) চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় পুলিশ সংস্থার প্রতিনিধিরা দেশটির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। এ মেয়াদ শেষ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়বে। ফলে চুক্তিটির মোট মেয়াদ হবে ১০ বছর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের মধ্যে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কর্মী পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়বে। জাপানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, তুলনামূলক বেশি বেতন এবং দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা কিংবা তাঁদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এসব কারণে তাঁদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বাধ্যবাধকতাও চুক্তিতে রাখা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, এ চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।