এনআইডির ১৫ বছর মেয়াদ শেষেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করছে নির্বাচন কমিশন
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত, তথ্য সংগ্রহের বয়স কমানোর চিন্তাভাবনা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৬ ১০:৫৯:৫১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৬ ১০:৫৯:৫১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ১৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা নবায়ন করা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে নবায়ন ও এনআইডি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, আবেদন প্রক্রিয়া এবং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ১২তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এনআইডি নবায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে পরিবারের সদস্যদের এনআইডির তথ্যও দিতে হবে। এছাড়া এনআইডি স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত তথ্য দিতে হবে। উভয় সেবার জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করেছে কমিশন।
আখতার আহমেদ জানান, এনআইডির ১৫ বছর পরপর নবায়ন বাধ্যতামূলক করার জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিষয়টি কার্যকর হবে।
সভায় প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে আবেদন করার পর তদন্ত শেষে প্রবাসীদের বায়োমেট্রিক নেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদনকারীর তথ্য ও বায়োমেট্রিক একসঙ্গে গ্রহণ করা হবে। এরপর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।
এ ছাড়া এনআইডি ও ভোটার তালিকার জন্য তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।
ইসি সচিব বলেন, তথ্য সংগ্রহের বয়স আরও কমানো যায় কি না, সে বিষয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি বা প্রাথমিক স্তর কোন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, তা তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।