পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০টার দিকে নাঈম একটি ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার গাড়ির সামান্য ধাক্কা লাগলে মোটরসাইকেল চালকসহ একদল যুবক তাকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে আনে। এরপর তাকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে ও গাড়ি ভাঙচুর করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে খবর পেয়ে তার খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাঈমের বিরুদ্ধে পাবনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলা থাকায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিতে ১০ দিন আগে ঢাকায় এসেছিলেন।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, নাঈম কোনো অপরাধী ছিলেন না বরং সামান্য দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত মব সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট