৮ ও ৯ বছরের দুই শিশুর নজির: রেকর্ড সময়ে সম্পন্ন কোরআন হিফজ, নাটোরে উৎসবের আবহ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৪-১১-২০২৫ ১১:৫৪:০২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-১১-২০২৫ ১১:৫৪:০২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
নাটোরের নূরে মদিনা মডেল মাদরাসার দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থী রেকর্ড সময়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। আট বছরের মো. মারুফ হাসান মাত্র ৭০ দিনে এবং নয় বছরের আব্দুর রহমান ১৪০ দিনে ৩০ পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) তাদের এই অর্জন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মাদরাসা ও পরিবার সূত্র জানায়, শুরু থেকেই দুই শিক্ষার্থী হিফজ শিক্ষায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ ছিল। প্রতিদিন নির্ধারিত পড়া যথাযথভাবে শেষ করায় তাদের অগ্রগতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি নূরনবী সিরাজীর ভাষায়—কোরআনের প্রতি গভীর অনুরাগ, নিয়ম মেনে পড়াশোনা এবং অবিচল অধ্যবসায়ই এই দ্রুত সময়ের হিফজ সম্পন্নের মূল ভিত্তি। তিনি মনে করেন, এমন সাফল্যের পেছনে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ রয়েছে।
হিফজ সম্পন্নের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মারুফ হাসান বলেন, জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন এটি। ভবিষ্যতে বিশ্বমানের হাফেজ হয়ে উঠতে সবার দোয়া চেয়েছে সে। আব্দুর রহমান জানায়, আল্লাহর দেওয়া শক্তি, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা এবং বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাই তাকে এগিয়ে নিয়েছে। আজীবন কোরআনের আলো ধারণ করাই তার স্বপ্ন।
মাদারীপুরের শিবচরের প্রবাসী বেলাল মোল্লার ছোট ছেলে মারুফের মা জানান, এত অল্প বয়সে সন্তানের এই অর্জন তাদের জন্য মহান বরকত। তিনি চান, ছেলে ইসলামি জ্ঞান অর্জন করে সমাজ ও দেশের উপকারে আসুক। নাটোর সদরের জাঠিয়ান গ্রামের আব্দুর রহমানের বাবা সেন্টু মিয়া বলেন, সন্তানের অর্জনে তাদের পরিবার গর্বিত। তার প্রত্যাশা—ছেলে যেন সারাজীবন কোরআনের আদর্শে জীবন পরিচালনা করে একটি সুশীল ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।