শব্দ দূষণ মূলত নগরায়ণ, যানবাহনের আওয়াজ, শিল্পকর্মের শব্দ, এবং বড় মিছিল-সমাবেশের কারণে সৃষ্টি হয়। এই অতিরিক্ত শব্দ মানুষের মানসিক চাপ বৃদ্ধি করে, ঘুম ব্যাহত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে শ্রবণশক্তি কমাতে পারে। শহরাঞ্চলে শব্দের স্তর যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণ না করলে এটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
শব্দ দূষণ কমাতে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ঘরে বা অফিসে শব্দ কমানোর জন্য অ্যান্টি-নয়েজ সরঞ্জাম ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও যানবাহনের হর্ন সীমিত ব্যবহার, শিল্পকলায় শব্দ নিয়ন্ত্রণ, এবং নগর পরিকল্পনায় পরিবেশ-বান্ধব নীতিমালা প্রয়োগ করলে শব্দ দূষণ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ডেস্ক রিপোর্ট