কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো দেশজুড়ে ইবাদতের মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মুসল্লিরা যাতে খুতবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারেন তা নিশ্চিত করা। নির্দিষ্ট একটি সময়ে নামাজ শুরু হওয়ায় বড় শহরগুলোর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের ব্যক্তিগত কাজের পরিকল্পনা আরও সহজ হবে। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন আমিরাতে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এই একক জাতীয় সময়সূচি দারুণ সমন্বয় আনবে। কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের খুতবা মিস না করতে নির্ধারিত সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ‘ইয়ার অব দ্য ফ্যামিলি’ বা ‘পরিবার বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। নতুন এই সময়সূচি পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং জুমার দিনটিকে পরিবারের সাথে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে কাটানোর সুযোগ করে দেবে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত নির্ভুল। আলেমদের মতে, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে নামাজ আদায় শরিয়তের নির্ধারিত জোহরের ওয়াক্তের মধ্যেই পড়ে, ফলে এতে ইবাদতের কোনো শর্ত বিঘ্নিত হবে না। সরকারের এই সমন্বিত নীতিমালার মাধ্যমে জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট