জুলাই বিপ্লবের একজন বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদি ১৯ শে ডিসেম্বর রাতে মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো দেশ। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরদিনও অব্যাহত থাকে। দেশের গণমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে হাদির মৃত্যু।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা হাদির মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার বিদ্রোহে ৩২ বছর বয়সী ওসমান হাদি ছিলেন পরিচিত মুখ। তিনি ইনকিলাব মঞ্চ বা ‘বিপ্লবের প্ল্যাটফর্ম’-এর মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তার। আলজাজিরার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হাদি ছিলেন ভারতের কড়া সমালোচক। বিদ্রোহের পর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।
হাদির মৃত্যুর পর ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিও জানানো হয়।
আলজাজিরার প্রতিবেদক তানভীর চৌধুরী জানান, বিক্ষোভে মূলত শিক্ষার্থীরা অংশ নিলেও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও এতে যুক্ত হয়েছেন। উল্লিখিত বিষয় সহ আরো বেশ কিছু তথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয় আলজাজিরার হাদি কে নিয়ে করা প্রতিবেদন।
ডেস্ক রিপোর্ট