তাইওয়ান নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি: সংঘাতে নামলে চীনের কাছে পরাজিত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, বলছে পেন্টাগনের গোপন মূল্যায়ন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৬-১২-২০২৫ ১২:৪০:০২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ১২:৪০:০২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
তাইওয়ান নিয়ে চীনের সঙ্গে কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ালে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হতে পারে—পেন্টাগনের একটি অতি গোপন মূল্যায়নে (নাম 'ওভারম্যাচ ব্রিফ') এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য ফাঁস হয়েছে। মূল্যায়ন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের ব্যয়বহুল ও উন্নত অস্ত্রের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় চীনের হাতে থাকা সস্তা এবং দ্রুত তৈরি করা অস্ত্রের মুখে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। সংঘাত শুরু হলে চীনের পক্ষে সহজেই মার্কিন ফাইটার স্কোয়াড্রন, বিশাল যুদ্ধজাহাজ এমনকি উপগ্রহ নেটওয়ার্কও অচল করে দেওয়া সম্ভব বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। এই গোপন মূল্যায়নটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সামরিক আধুনিকায়ন এবং বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের কারণে চীন সম্ভবত ২০২৭ সালের দিকে তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করতে পারে এবং এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।
গোপন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, চীন সহজেই মার্কিন ফাইটার স্কোয়াড্রন, বড় যুদ্ধজাহাজ এবং উপগ্রহ নেটওয়ার্ক অচল করতে পারবে, যা সামরিক মহড়া চলাকালীনও লক্ষ্য করা গেছে।
চীনের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মার্কিন রণতরী ও অন্যান্য উন্নত অস্ত্রের ওপর বড় হুমকি সৃষ্টি করছে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুনতম ও অত্যাধুনিক ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীও চীনের হামলা থেকে রক্ষা পেতে সক্ষম নাও হতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধের উদাহরণ টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্রশক্তি যথেষ্ট নয় এবং দ্রুত অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতায় তারা চীনের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। এই গোপন মূল্যায়নটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সামরিক আধুনিকায়ন এবং বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের কারণে চীন সম্ভবত ২০২৭ সালের দিকে তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করতে পারে এবং এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।
গোপন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, চীন সহজেই মার্কিন ফাইটার স্কোয়াড্রন, বড় যুদ্ধজাহাজ এবং উপগ্রহ নেটওয়ার্ক অচল করতে পারবে, যা সামরিক মহড়া চলাকালীনও লক্ষ্য করা গেছে।
চীনের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মার্কিন রণতরী ও অন্যান্য উন্নত অস্ত্রের ওপর বড় হুমকি সৃষ্টি করছে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুনতম ও অত্যাধুনিক ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীও চীনের হামলা থেকে রক্ষা পেতে সক্ষম নাও হতে পারে।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এত দ্রুত যে তা মার্কিন রণতরীগুলোকে ধ্বংস করতে সক্ষম।
ইউক্রেন যুদ্ধের উদাহরণ টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্রশক্তি যথেষ্ট নয় এবং দ্রুত অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতায় তারা চীনের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। এছাড়া, পূর্ববর্তী বিদেশি সহায়তার কারণে মার্কিন গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
চীন তাইওয়ানকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটিকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। অন্যদিকে, তাইওয়ান নিজেকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে এবং গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত ছাড়া পরিস্থিতির পরিবর্তন চায় না।
পেন্টাগনের এই মূল্যায়নে স্পষ্ট যে, তাইওয়ান প্রণালীতে ক্ষমতার ভারসাম্যতা চীনের দিকে ঝুঁকেছে এবং মার্কিন সামরিক পরিকল্পনা ও উৎপাদন সক্ষমতায় দ্রুত পরিবর্তন আনা জরুরি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।