নিহত আপন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার মাহাবুব মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ভাটারা থানাধীন ১১৪ নম্বর বিসমিল্লাহ রোডের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটের ছয়তলায় বসবাস করতেন।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে আপন নিজের কক্ষে দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যান। দীর্ঘ সময় ধরে ডাকাডাকি করার পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না আসায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। উপায় না দেখে তারা ভাটারা থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানান।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং আপনকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত আপনের ফুফাতো ভাই সাজিদ গণমাধ্যমকে জানান, দুপুরে আপন ঘুমাতে যাওয়ার পর অনেকক্ষণ দরজা না খোলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “পুলিশ এসে দরজা ভেঙে দেখে সে অচেতন। পরে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান। কীভাবে হঠাৎ সে মারা গেল, আমাদের কোনো ধারণা নেই। এখন চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লাশের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভাটারা থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট