রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রদ্রিগেজ বলেন, তাদের এই ব্যাপক ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে 'ওয়াশিংটন পোস্ট'-এর একটি প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই করে দেখা হবে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেপ্টেম্বরে এক হামলায় একটি নৌকায় থাকা সকলকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং বেঁচে যাওয়া দুজনকে হত্যায় পরে দ্বিতীয় দফা হামলাও চালানো হয়।
রদ্রিগেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেন যে, এই তদন্তে ভেনেজুয়েলার কৌঁসুলির কার্যালয়ও যুক্ত হবে।
যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলার আশপাশের ক্যারিবীয় অঞ্চলে কথিত মাদক পাচারকারী নৌযানে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং সেখানে সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছে। ওয়াশিংটন অভিযোগ করছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর সরকারের সঙ্গে মাদক পাচারকারীদের যোগসাজশ আছে।
তবে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ভান মাত্র; তাদের মূল লক্ষ্য হলো ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং এজন্যই তারা ভেনেজুয়েলায় সরকার বদলাতে চায়।
শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি মন্তব্য পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে। ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা ও এর আশপাশের আকাশসীমা ‘পুরোপুরি বন্ধ’ বলেই সবার ধরে নেওয়া উচিত। যদিও তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি, তবে অনেকে একে ভেনেজুয়েলার ওপর আসন্ন মার্কিন হামলার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন।
ভেনেজুয়েলার সরকার ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর একটি 'ঔপনিবেশিক হুমকি' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির এই তদন্ত কমিশন দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট