সিআইডির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের নামে ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে প্রায় ৩৮ কোটি টাকার স্বর্ণ ও হীরা বৈধভাবে আমদানি করা হয়। তবে একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে ৬৭৮ কোটি টাকার স্বর্ণ ও হীরা কেনার দাবি করলেও তার উৎস বা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এ অস্বাভাবিক বৈষম্যের কারণে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা দেশে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হয়েছে বলে সিআইডির ধারণা আরও দৃঢ় হয়।
তদন্তে মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতাও পাওয়া গেছে। চোরাচালানকৃত স্বর্ণ-হীরা বিক্রির অর্থ রূপান্তর, হস্তান্তর ও ব্যবহারের লেনদেন বিশ্লেষণে অবৈধ অর্থ ব্যবহার স্পষ্ট হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি। মামলা সিআইডির তফসিলভুক্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, ব্যাংক হিসাব, লেনদেনের বিশদ তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদসহ পরবর্তী সব তদন্ত সিআইডিই চালাবে।
রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং অর্থপাচারকারীদের বিচারের আওতায় আনতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে—বিজ্ঞপ্তিতে এ কথাও উল্লেখ করেছে সিআইডি।
ডেস্ক রিপোর্ট