আফ্রিকার ছয় দেশে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা রাশিয়ার
- আপলোড সময় : ১৮-১১-২০২৫ ০৩:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-১১-২০২৫ ০৩:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
রাশিয়া প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে তাদের সেনাবাহিনী আফ্রিকার ছয়টি দেশে সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরটি–র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিভিন্ন আফ্রিকান সরকারকে বিদ্রোহী ও জঙ্গি দমনে সহায়তা করতেই এই মোতায়েন।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মস্কো আফ্রিকায় রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বাড়াতে জোর দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাদেশটির বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার নতুন অংশীদারিত্ব ও নিরাপত্তা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরটি–র প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা বর্তমানে ছয়টি আফ্রিকান দেশে কাজ করছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কেবল মালির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে—বুরকিনা ফাসো, নাইজার, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, লিবিয়া এবং ইকুয়েটোরিয়াল গিনিতে রুশ সেনা বা সামরিক প্রশিক্ষকরা অবস্থান করছেন।
গত জুনে এএফপিকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওয়াগনার গ্রুপের পর আফ্রিকায় তাদের জায়গা নেয় রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘আফ্রিকান কর্পস’। ওয়াগনারের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভগেনি প্রিগোজিন ২০২৩ সালের আগস্টে রহস্যজনক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর এই বাহিনী পুনর্গঠন করা হয়। প্রিগোজিনের বিদ্রোহ ও ইউক্রেন যুদ্ধ—দুটোর সঙ্গে ওয়াগনারের সংশ্লিষ্টতা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
রুশ রাষ্ট্রীয় টিভি জানায়, আফ্রিকায় মোতায়েনকৃত অধিকাংশ সেনাই ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞ যোদ্ধা। প্রতিবেদনে মালির একটি ঘাঁটির ভিডিও দেখানো হয়, যেখানে রুশ বোমারু বিমান, হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যানসহ ভারী সামরিক সরঞ্জাম দেখা যায়।
এএফপি বলছে, আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল জঙ্গিবাদে সবচেয়ে অস্থিতিশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত। এ অঞ্চলে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পশ্চিমা দেশগুলোর নজর কাড়ছে এবং নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।