ইরানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দমন অভিযানের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান শিরিন এবাদির
- আপলোড সময় : ১৩-০১-২০২৬ ১০:২৮:৫৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০১-২০২৬ ১০:২৮:৫৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৫ বার পঠিত
ইরানে চলমান দমন অভিযানের তথ্য আড়াল করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে খামেনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী শিরিন এবাদি। তাঁর দাবি, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখে সহিংসতা চালানোর মাধ্যমে সরকার ঘটনার চিহ্ন মুছে ফেলতে চাচ্ছে।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে শিরিন এবাদি বলেন, ইরান বর্তমানে ‘সংগঠিত নীরবতা’র মধ্যে রয়েছে। তাঁর ভাষায়, ইন্টারনেট বন্ধ, যোগাযোগ অচল, সাক্ষীদের ভয়ভীতি এবং গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে এটি এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে সহিংস কর্মকাণ্ড গোপনে চালানো সম্ভব হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল-এর তথ্য উদ্ধৃত করে এবাদি জানান, মাঠপর্যায়ের ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য, পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা এবং নিরাপত্তা ও সরকারি সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে পাওয়া উপাত্তের বহুস্তর বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, গত ৮ ও ৯ জানুয়ারি টানা দুই রাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিষয়টি শুধু সংখ্যার প্রশ্ন নয়; সহিংসতার ধরনও গভীর উদ্বেগের।
শিরিন এবাদি আরও উল্লেখ করেন, এটি একটি সংগঠিত দমন অভিযান, যেখানে ইন্টারনেট বন্ধ রেখে সরাসরি শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। তাঁর মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া প্রকৃত চিত্র সামনে আসা কঠিন।
এ অবস্থায় তিনি অবিলম্বে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু করা, একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত গঠন এবং দায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। আন্তর্জাতিক মহলে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নজরদারি জোরদারের দাবিও জানান তিনি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।