যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রবাহিনী সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক আকারের বিমান হামলা চালিয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’-এর অংশ। এই অভিযানগুলো গত ডিসেম্বরে সিরিয়ার পালমিরায় আইএস-এর হামলায় দুই মার্কিন সেনা এবং একজন বেসামরিক দোভাশীর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
সেন্টকমের এক্স পোস্ট অনুসারে, শনিবার দুপুরে (ইস্টার্ন টাইম) এই হামলাগুলো চালানো হয়, যাতে ২০টির বেশি বিমান অংশগ্রহণ করে এবং ৩৫টির বেশি লক্ষ্যে ৯০টিরও অধিক নির্ভুল অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অংশগ্রহণকারী বিমানের মধ্যে ছিল এফ-১৫ই, এ-১০, এসি-১৩০জে, এমকিউ-৯ ড্রোন এবং জর্ডানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। সেন্টকম স্পষ্টভাবে বার্তা দিয়েছে যে, মার্কিন যোদ্ধাদের ক্ষতি করলে আইএস সদস্যদের যেকোনো স্থানেই খুঁজে বের করে হত্যা করা হবে।
অভিযানের পটভূমিতে, গত ডিসেম্বরে প্রথম ধাপে ১৯ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র এবং জর্ডানের যৌথ বাহিনী সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলে ৭০টির বেশি লক্ষ্যে ১০০টিরও বেশি অস্ত্র নিক্ষেপ করে আইএস-এর অবকাঠামো এবং অস্ত্রাগার ধ্বংস করেছিল। ২০-২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ১১টি অভিযানে প্রায় ২৫ জন আইএস সদস্যকে হত্যা বা গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এক্সে লিখেছেন, মার্কিন বাহিনী কখনো ভুলবে না বা থামবে না। হামলার নির্দিষ্ট স্থান বা হতাহতের তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
ডেস্ক রিপোর্ট