সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এই টিমের প্রতিটি সদস্যকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। লাতিন আমেরিকা বিষয়ক অভিজ্ঞ মার্কো রুবিও নেতৃত্ব দেবেন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ায়। অন্যদিকে, স্টিফেন মিলার কাজ করবেন ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও মার্কিন অভিবাসন নীতির সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে। ট্রাম্পের ভাষায়, "এটি একটি বৈচিত্র্যময় দক্ষতার দল।" তবে তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন যে, দলের সদস্যরা নীতিনির্ধারণ ও তদারকি করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা এককভাবে তার (ট্রাম্প) হাতেই থাকবে। অর্থাৎ, ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন আধিপত্যের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের সবুজ সংকেত আসবে সরাসরি ওভাল অফিস থেকে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই শক্তিশালী দল গঠনের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন বার্তা দিতে চায় যে, তারা ভেনেজুয়েলাকে দীর্ঘমেয়াদী মার্কিন স্বার্থে পরিচালনা করতে চায়। মাদক পাচার নির্মূল, বিদেশি গোয়েন্দাদের প্রভাব কমানো এবং বিশেষ করে দেশটির তেল খাতের পুনর্গঠনই হবে এই দলের মূল অগ্রাধিকার। ট্রাম্পের এই কৌশলটি ‘একতরফা হস্তক্ষেপ’ হিসেবে সমালোচিত হলেও ওয়াশিংটন একে বর্ণনা করছে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ হিসেবে। এই দলের মাধ্যমেই আগামী মাসগুলোতে ভেনেজুয়েলার শাসন ও অর্থনীতির খোলনলচে বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। (সূত্র: এনবিসি নিউজ)
ডেস্ক রিপোর্ট