আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্দি নিকোলাস মাদুরোকে ইতিমিধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অবৈধ অস্ত্র সংশ্লিষ্টতার গুরুতর অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন। তবে কারাকাস প্রশাসনের দাবি, মাদুরোকে বন্দি করা কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের লক্ষ্যেই এই নগ্ন হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ভেনেজুয়েলার পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ভিন্ন কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, বর্তমানে নরওয়েতে নির্বাসিত বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে নেতৃত্বে আনার বিষয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছেন। বিগত নির্বাচনগুলোকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযান বিশ্বের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা যে যুক্তরাষ্ট্র আর কোনো প্রতিকূল শক্তির কাছে নত হবে না।
এই অভিযানের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাশিয়া এই সামরিক পদক্ষেপের কড়া নিন্দা জানিয়েছে এবং একে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, তারা এই হামলার পরিকল্পনা বা বাস্তবায়নের সাথে কোনোভাবেই জড়িত ছিল না। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, কারাকাসে বর্তমান সরকারের পতন নিশ্চিত করার পর তারা আর বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেবে না। তবে একটি সমৃদ্ধ দেশের সম্পদ ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
(সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা ও ফক্স নিউজ)
(সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা ও ফক্স নিউজ)
ডেস্ক রিপোর্ট