স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মহেষপুর সীমান্তে কর্তব্যরত অবস্থায় আকস্মিক গুলির শব্দে সহকর্মীরা এগিয়ে এসে বিপিন কুমারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাকে দ্রুত ধর্মনগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে আগরতলার জিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
ধর্মনগর মহকুমা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসূন ভট্টাচার্জী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আহত জওয়ানের শরীরে আগ্নেয়াস্ত্রের দুটি গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। হাসপাতালে আনার সময় তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তবে জরুরি অস্ত্রোপচার ও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।
এই ঘটনার পর সীমান্তে বিএসএফের টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে গুলির উৎস বাংলাদেশ ভূখণ্ড নাকি সীমান্তের ভারতীয় অংশ থেকে এসেছে, সে বিষয়ে বিএসএফের স্থানীয় দপ্তর বা দিল্লির সদর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোনো পতাকা বৈঠক হয়েছে কি না, তাও এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। সীমান্ত এলাকায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
ডেস্ক রিপোর্ট