প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতের দিকে হঠাৎ করেই একদল সাধারণ মানুষ স্লোগান দিতে দিতে সংবাদপত্র দুটির কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তারা ভবনের প্রবেশপথ ও ভেতরে ভাঙচুর শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক লাইভ ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলাকারীরা হাতে লাঠি নিয়ে ভবনের গ্লাস ভাঙচুর করছে এবং ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি থমথমে ছিল এবং পুলিশের পক্ষ থেকে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার সময় ভবন দুটির ভেতরে সংবাদকর্মীরা অবস্থান করছিলেন, যা আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈন্যু মারমা ঘটনাস্থল থেকে জানান, “এখানে কয়েকশ লোক একত্রিত হয়ে হামলা চালিয়েছেন। আমরা তাদের থামানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি।” তবে হামলাকারীরা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের কি না কিংবা তাদের পরিচয় কী, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
গণমাধ্যম কার্যালয়ে এই হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট