দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ঘাঁটিতে ইসরাইলের ভয়াবহ বিমান হামলা
- আপলোড সময় : ০৯-১২-২০২৫ ০৯:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১২-২০২৫ ০৯:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬১ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
ইসরাইল দখলকৃত বাহিনী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর একাধিক স্থাপনায় নতুন করে তীব্র বিমান হামলা চালিয়েছে, যেখানে সংগঠনটির এলিট রাদওয়ান ফোর্সের প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার দিবাগত রাত, বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতের কিছু পর এসব হামলা চালানো হয়; তা ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনের হামলা–ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ পর্ব।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ভাষ্য, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো, বহু ভবন ও রকেট নিক্ষেপস্থল ধ্বংস করা হয়েছে এবং এগুলো রাদওয়ান ইউনিটের সদস্যরা ইসরাইলবিরোধী হামলার প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নে ব্যবহার করত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সামরিক ফুটেজে কয়েকটি স্থাপনায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও আগুনের চিহ্ন দেখা গেছে, যদিও হামলায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় ইসরাইল–লেবানন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তার পরও দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতে ইসরাইলের বিমান ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে; আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে এ সময় অন্তত কয়েক শ লেবাননি নাগরিক ও যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ইউনিফিলও জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইল লক্ষাধিক আকাশসীমা লঙ্ঘন ও বহু স্থলঅভিযান চালিয়েছে, যা চুক্তির শর্ত ভঙ্গের শামিল এবং সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
ইসরাইলের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা খর্ব করে উত্তর সীমান্তে থাকা হুমকি দূর করা; দেশটি এখনো লেবানন সীমান্তের অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেনা মোতায়েন রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও অভিযান চালানোর কথাও জানাচ্ছে। অন্যদিকে লেবানন ও হিজবুল্লাহ বলছে, অব্যাহত হামলা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন এবং বেসামরিক লোকজনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, যার দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও নিতে হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।