ঠাকুরগাঁও সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)। সংগঠনটির প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু সীমান্তে নয়, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জামান টাওয়ারে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় নাঈম আহমাদ বলেন, জুলাইয়ের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও ভারত এখনো সেই বাস্তবতা মেনে নিতে পারেনি। এর প্রতিফলন সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের ওপর হামলা ও হত্যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পাচ্ছে। তিনি বলেন, “দিল্লি প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার সম্পর্ক পুনর্গঠনে আন্তরিক হতে হবে।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, সীমান্তে প্রতিটি হত্যার পর পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘সন্তোষজনক’ ফলের কথা বলা হয়—কিন্তু সেই সন্তোষের কারণ জনসাধারণের কাছে কেন প্রকাশ করা হয় না? বিষয়টি স্বচ্ছতার স্বার্থে প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সংগঠনের যুগ্ম প্রধান সংগঠক আবরার হামীম বলেন, “দিল্লির সঙ্গে সমান মর্যাদার কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে সীমান্তে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে।” অপর যুগ্ম প্রধান সংগঠক আহসান উল্লাহ বলেন, “ভারতের আগ্রাসন মোকাবিলায় জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি, পাশাপাশি সরকারের আরও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান প্রয়োজন।”
প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য জাহিদুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ গালিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন, সদস্য সচিব কাজী সালমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সদস্য সচিব মুতাসিম মুনিব, যাত্রাবাড়ী থানার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান ফাহিম, যুগ্ম সদস্য সচিব নাইমুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক আহনাফ আতিফ এবং ঢাকা কলেজের সংগঠক সালমান শরীফ।
ডেস্ক রিপোর্ট