বাংলাদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দায়ের করা এই রিট আবেদনে মূলত সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। রিটে প্রধানত দুটি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে:
১. নির্বাহী বিভাগ থেকে নিয়োগ বাতিল: নির্বাচন কমিশনের সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাহী বিভাগ থেকে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়াকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
২. ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন গঠন: নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লোকবল কাঠামো ও কর্মীবাহিনী তৈরির জন্য 'ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন' গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলামের মতে, বিচার বিভাগের মতো নির্বাচন কমিশনও একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। তাই এর নিজস্ব লোকবল থাকা অপরিহার্য। রিটে এই বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের রুল জারির আবেদনও জানানো হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং নির্বাহী বিভাগ কমিশনকে কেবল সহযোগিতা করবে। কিন্তু বর্তমানে সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে দেওয়া হচ্ছে।
রিটকারী আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং নির্বাহী বিভাগ কমিশনকে কেবল সহযোগিতা করবে। কিন্তু বর্তমানে সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাহী বিভাগ যেহেতু সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে, তাই তাদের পরিচালিত নির্বাচন সরকারের চাহিদা মোতাবেক হয়ে থাকে, যা নির্বাচন নিয়ে নানামুখী বিতর্ক ও আস্থার সঙ্কট তৈরি করে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাহী বিভাগের প্রতি আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ববোধের অভাব থাকায় তাদের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে রিটে যুক্তি দেখানো হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল থেকে সচিব, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট