সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ নিজ উদ্যোগে আগাম আটক পরোয়ানার আবেদন করে এবং সুপ্রিম কোর্ট তা অনুমোদন করে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে বলসোনারোর বড় ছেলে ও সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো তার বাবার বাসার সামনে সমর্থকদের ‘জাগরণ সমাবেশে’ ডাক দেন। আদালতের ধারণা, এই জমায়েত বড় আকার ধারণ করলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে বলসোনারো পালানোর চেষ্টা করতে পারেন। একই সময়ে, তার ইলেকট্রনিক মনিটরিং ডিভাইসে বিঘ্ন দেখা যায়, যা আদালতের ভাষ্যে “পালানোর ইঙ্গিত” হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এ নিয়ে ফ্লাভিও এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।
এ ঘটনার পটভূমিতে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়, যেখানে সামরিক অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বলসোনারোকে ২৭ বছর ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ের পরও ক্ষমতায় টিকে থাকতে তিনি ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দেন—এমনটাই আদালতের রায়ে উঠে এসেছে। পাঁচ বিচারপতির মধ্যে চারজন তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তার আইনজীবীরা এই রায়কে “অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক” দাবি করে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
বিতর্কের মাত্রা আরও বাড়ে ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি, যখন বলসোনারোর সমর্থকেরা কংগ্রেস, সুপ্রিম কোর্ট ও প্রেসিডেন্ট ভবনে হামলা চালায়। এর পর থেকেই বলসোনারোর বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত চলছে। তিনি বারবার দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” এবং ২০২৬ সালের নির্বাচন থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগের একটি মামলায় তিনি সরকারি পদে অযোগ্য ঘোষিত হওয়াকে ‘উইচ হান্ট’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট