মামদানির সঙ্গে ‘দুর্দান্ত ও ফলপ্রসূ’ বৈঠক—সম্পর্কে নতুন সুর আনলেন ট্রাম্প
- আপলোড সময় : ২২-১১-২০২৫ ১১:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-১১-২০২৫ ১১:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে বৈঠককে ‘দুর্দান্ত ও ফলপ্রসূ’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার পর হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে গতানুগতিক বিরোধিতা নয়, বরং মিল-খোঁজার সুরই বেশি শোনা গেছে। প্রায় আধঘণ্টার আলোচনার পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে একে অন্যের প্রশংসায় মেতে ওঠেন তারা।
৪ নভেম্বরের নির্বাচনে মামদানির ঘোরবিরোধী ছিলেন ট্রাম্প—কঠোর মন্তব্য ও রাজনৈতিক কটাক্ষও আদান–প্রদান হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈঠকটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহে অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প নবনির্বাচিত মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্ব দেওয়া একটি ‘বড় দায়িত্ব’, এবং তার বিশ্বাস মামদানি ‘দুর্দান্ত’ মেয়র হবেন। মামদানি পাল্টা সাড়া দিয়ে জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সহযোগিতায় কাজ করতে আগ্রহী।
বৈঠকে নিউইয়র্কের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ প্রবণতা, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলে জানান দুই নেতা। ট্রাম্প বলেন, “আমাদের একটি দারুণ, খুবই ফলপ্রসূ বৈঠক হলো। আমরা দুজনই চাই, প্রিয় এই শহরটি আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাক।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, মামদানি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও দক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
মামদানি বলেন, বৈঠকে নিউইয়র্কবাসীর জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং শহরে সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার মতো বাস্তবসম্মত বিষয়গুলোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। তার মতে, “আমাদের মিল হলো—আমরা দুজনেই নিউইয়র্ককে ভালোবাসি।”
৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট জোহরান মামদানি চলতি মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ১ জানুয়ারি বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
মাত্র কয়েক দিন আগেও ট্রাম্প ও মামদানি ছিলেন তীব্র রাজনৈতিক বিরোধের দুই প্রান্তে। বিশ্লেষকদের মতে, ওভাল অফিসের সদয় ও সহযোগিতামূলক এই বৈঠক নিউইয়র্কবাসীর মধ্যে অন্তত সাময়িক স্বস্তি এনে দিতে পারে। তবে এই নতুন অবস্থান কতটা স্থায়ী হয়—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।