ওয়াশিংটন যে প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (PLC) সঙ্গে কথা বলছে, তাদের বাস্তব নিয়ন্ত্রণ সীমিত—উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অল্প জনবসতিপূর্ণ কিছু এলাকা এবং জোট অংশীদারদের সহায়তায় দক্ষিণের এডেন শহর পর্যন্ত। সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল, ইয়েমেনি ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ও হাদরামি এলিট ফোর্স মিলেও তারা দেশের ক্ষুদ্র অংশ পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের প্রায় ৮০ শতাংশ জনসংখ্যা ও বৃহৎ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল—হুথিদের রাজনৈতিক কাঠামো। রাষ্ট্রক্ষমতার এই বিভক্ত বাস্তবতায় গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাবে কার কতটুকু কর্তৃত্ব আছে, সেটিই সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা।
হুথিরা অতীতে গাজায় সরাসরি অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তাদের অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত—তারা বলেছে নিরাপদ রুট পেলে “লক্ষাধিক” যোদ্ধা গাজার সহায়তায় পাঠাতে প্রস্তুত। আরব বিশ্বের মধ্যে হিজবুল্লাহর পর তারাই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে সামরিক পদক্ষেপে যুক্ত ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত, আঞ্চলিক প্রভাবের লড়াই এবং ইয়েমেনের বহুমুখী ক্ষমতাবিকল্প—সব মিলেই গাজায় শান্তিরক্ষী মিশনে ইয়েমেনকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা বাস্তবায়নে জটিলতা বাড়িয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট