ইব্রাহিমি মসজিদে মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ, হেবরনে কারফিউ জারি করেছে ইসরাইল
- আপলোড সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩১ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
অধিকৃত পশ্চিমতীরের হেবরনে মুসলিমদের জন্য ইব্রাহিমি মসজিদে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল, পাশাপাশি পুরোনো শহরজুড়ে আরোপ করেছে কারফিউ। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মূলত অবৈধ বসতকারীদের ইহুদি ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের সুযোগ দিতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
হেবরন ডিফেন্স কমিটির সদস্য আরেফ জাবের জানান, শুক্রবার সকাল থেকে পুরোনো শহরের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সামরিক চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় বহু ফিলিস্তিনি নিজ ঘরে ফিরতে পারেননি এবং স্বজনদের বাসায় রাত কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।
তার দাবি, শুক্রবার রাত ও শনিবার সকালে শত শত ইহুদি বসতকারী ভারী সামরিক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পুরোনো শহরে প্রবেশ করে রাস্তায় উত্তেজনাকর শোভাযাত্রা করেছে। তিনি মনে করেন, এই কারফিউ ইব্রাহিমি মসজিদের বাকি অংশ দখলে নেওয়া এবং সেটিকে সিনাগগে রূপান্তর করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।
ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইসরাইল প্রতিদিন মসজিদের সুক গেট এবং পূর্ব দিকের প্রধান গেট বন্ধ রাখছে, এমনকি জানালাগুলোও ঢেকে দিয়েছে। বর্তমানে মসজিদটি সম্পূর্ণ ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে থাকা পুরোনো শহরে অবস্থিত, যেখানে প্রায় ৪০০ অবৈধ বসতকারী এবং তাদের নিরাপত্তায় ১,৫০০ সেনা মোতায়েন রয়েছে।
১৯৯৪ সালে এক বসতকারীর হামলায় ২৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর ইসরাইল মসজিদটি দু’ভাগে ভাগ করে—৬৩ শতাংশ ইহুদিদের উপাসনার জন্য এবং বাকিটা মুসলিমদের জন্য নির্ধারণ করা হয়। এরপর থেকে বছরে ১০ দিন ইহুদি উৎসবের সময় মসজিদটি পুরোপুরি মুসলিমদের জন্য বন্ধ রাখা হয়, এবং ইসলামি উৎসবেও একই নিয়মে ইহুদিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।