বিমানটি লুইসভিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই নিয়ন্ত্রণ হারায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে আগুনে থাকা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইউনাইটেড পার্সেল সার্ভিস (ইউপিএস) পরিচালিত ম্যাকডোনেল ডগলাস এমডি-১১ মডেলের এই বিমানটি হনলুলুর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল এবং এতে প্রায় ৩৮ হাজার গ্যালন জ্বালানি ছিল—যার ওজন প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড। বিমানে তিনজন ক্রু সদস্য ছিলেন, তবে তাদের সবার অবস্থা এখনো নিশ্চিত নয়।
গভর্নর বেসিয়ার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনজন নিহত ও ১১ জন আহত হওয়ার কথা জানান, পরে এক্স (সাবেক টুইটার)-এ আপডেট দিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা সাতজনে উন্নীত করেন। তিনি বলেন, “ভিডিও ফুটেজে যা দেখেছি তা ভয়াবহ। উদ্ধারকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।”
লুইসভিলের মেয়র ক্রেইগ গ্রিনবার্গ এক পোস্টে লিখেছেন, “এটি এক অবিশ্বাস্য ট্র্যাজেডি, যা আমাদের শহর কখনো ভুলবে না। আমরা উদ্ধারকর্মীদের সাহসিকতার প্রতি কৃতজ্ঞ।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, বিশাল আগুন এবং ধোঁয়া আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে দমকল ও পুলিশ সদস্যরা অবিরাম কাজ করছেন।
ইউপিএস ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছিল যে তারা আগামী এক দশকের মধ্যে এমডি-১১ মডেলের বিমান ধীরে ধীরে অবসরে পাঠাবে। বিধ্বস্ত এই বিমানটি ছিল ৩৪ বছর পুরোনো—১৯৯১ সালে এটি থাই এয়ারওয়েজের বহরে যুক্ত হয় এবং ২০০৬ সালে ইউপিএসের হাতে আসে।
ডেস্ক রিপোর্ট