ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘ সময় ধরে তারা বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছিল, পরীক্ষামূলক সেবা প্রদান করেছিল। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকার স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরুতে নতুন গতি দেয়। চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৯০ দিনের মধ্যে সেবা চালুর নির্দেশ দেন এবং ২০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, স্টারলিংকের কার্যক্রম ১০০টির বেশি দেশে বিস্তৃত। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা চালু হয়েছে। আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশেও তাদের সেবা কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ, কেনিয়ায় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে স্টারলিংক চালুর ২০ মাসের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা পৌঁছায় ১৭ হাজার ৬৬ জন, আর নাইজেরিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৫৯,৫০০ গ্রাহক যুক্ত হয়।
বাংলাদেশে কম গ্রাহক প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, “স্টারলিংক যেসব সুবিধা দিচ্ছে, তার তুলনায় গ্রাহক সংখ্যা এখনও খুবই সীমিত। এটি মূলত উচ্চ খরচ, অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা এবং সাধারণ জনসাধারণের সচেতনতার ঘাটতির কারণে।”
ডেস্ক রিপোর্ট