স্টারলিংক বাংলাদেশের বাজারে পাঁচ মাসেও দুই হাজারের কম গ্রাহক, কেন এত কম?
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০২-১১-২০২৫ ০৫:০২:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-১১-২০২৫ ০৫:০২:২৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলেও পাঁচ মাস পরও দেশজুড়ে তাদের গ্রাহক সংখ্যা দুই হাজারের কম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্টারলিংকের মোট গ্রাহক ১ হাজার ৮৬২ জন, যার মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১ হাজার ২৫১ জন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘ সময় ধরে তারা বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছিল, পরীক্ষামূলক সেবা প্রদান করেছিল। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকার স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরুতে নতুন গতি দেয়। চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৯০ দিনের মধ্যে সেবা চালুর নির্দেশ দেন এবং ২০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, স্টারলিংকের কার্যক্রম ১০০টির বেশি দেশে বিস্তৃত। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা চালু হয়েছে। আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশেও তাদের সেবা কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ, কেনিয়ায় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে স্টারলিংক চালুর ২০ মাসের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা পৌঁছায় ১৭ হাজার ৬৬ জন, আর নাইজেরিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৫৯,৫০০ গ্রাহক যুক্ত হয়।
বাংলাদেশে কম গ্রাহক প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, “স্টারলিংক যেসব সুবিধা দিচ্ছে, তার তুলনায় গ্রাহক সংখ্যা এখনও খুবই সীমিত। এটি মূলত উচ্চ খরচ, অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা এবং সাধারণ জনসাধারণের সচেতনতার ঘাটতির কারণে।”
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।