ইসরায়েল শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) ৩০ ফিলিস্তিনির মরদেহ গাজার খান ইউনিসের আল নাসের হাসপাতালে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির মাধ্যমে হস্তান্তর করেছে। মরদেহগুলো ফেরত দেওয়ার পেছনে দুই ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ বিনিময় করা হয়েছে। এ নিয়ে ১৪ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় মোট ২২৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।
নাসের হাসপাতালের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফেরত আসা মরদেহগুলোর অধিকাংশে নির্যাতনের চিহ্ন ছিল; অনেকের হাত ও চোখ বাঁধা, মুখ বিকৃত ছিল। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই মরদেহগুলোর কোনো নাম-পরিচয় প্রদান করেনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে মিশর, কাতার এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে বন্দী ও মরদেহ বিনিময় কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হামাসও দুই ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ গাজায় ফেরত পাঠায়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলি অবরোধ ও ল্যাবরেটরি ধ্বংসের কারণে ফরেনসিক সুবিধা বন্ধ থাকায় মৃতদেহ শনাক্তে সমস্যা হচ্ছে। কিছু মরদেহ পরিবার শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে শারীরিক চিহ্ন বা পোশাকের মাধ্যমে।
স্থানীয় সংস্থা জানায়, যুদ্ধবিরতির আগে ইসরায়েল ৭৩৫টি ফিলিস্তিনি মরদেহ আটকে রেখেছিল। এছাড়াও ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ ইসরায়েলের এসডিই তাইমান সামরিক ঘাঁটিতে প্রায় ১,৫০০ মরদেহ রাখা হয়েছিল।
ডেস্ক রিপোর্ট