৬০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক, ড্রাইভিং লাইসেন্সের কর্তৃত্ব হারাচ্ছে বিআরটিএ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৫ ০২:২১:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৫ ০২:২১:৪৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দক্ষ ও নিরাপদ চালক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ন্যূনতম ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, এবং লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব আর থাকবে না বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হাতে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বুধবার সকালে রাজধানীর হাতিরঝিলে সড়ক ভবন মিলনায়তনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেন, “ড্রাইভিং লাইসেন্স পদ্ধতিতে মৌলিক সংস্কার আনা হবে। প্রশিক্ষণই হবে মূল ফোকাস, আর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পুরনো কমিটিগুলো বাতিল করা হবে। লাইসেন্স পেতে প্রত্যেক আবেদনকারীকে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণকালীন সময়ে চালকদের ভাতা দেওয়া হবে।”
উপদেষ্টা আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিআরটিসি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং সরকার অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে এই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্স ইস্যু করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ হবে দুই ধরণের—একটি তাত্ত্বিক, যেখানে চালকরা সড়কের সাইন, ট্রাফিক আইন ও আচরণবিধি শিখবেন; অন্যটি ব্যবহারিক, যেখানে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক সক্ষমতা এবং ডোপ টেস্টের মাধ্যমে দক্ষতা যাচাই করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী মাসের মধ্যেই এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখশ চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেতু সচিব মো. আবদুর রউফ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ এবং ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলমসহ অন্য কর্মকর্তারা।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার সড়ক নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং চালক প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নে নতুন এক অধ্যায় সূচনা করতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।