আবু ফাউলের ভাষ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দারা তাকে এমন অভিযোগ স্বীকার করতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়। “জ্ঞান ফেরার পর চোখ খোলার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু কিছুই দেখতে পাইনি—সবকিছু অন্ধকার,” বলেন তিনি। তখনই বুঝতে পারেন, তিনি চিরতরে দৃষ্টি হারিয়েছেন।
প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভের মহাসচিব মুস্তাফা বারঘৌতি জানিয়েছেন, আটক অবস্থায় আবু ফাউলকে ভয়ংকর শারীরিক নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তার মেরুদণ্ড ও পাঁজর ভেঙে যায়।
গাজার পূর্ববর্তী এক ইসরাইলি হামলায় তিনি আগেই একটি পা হারিয়েছিলেন। নতুন করে এই নির্যাতন তার শারীরিক অবস্থাকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার থেকেও তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আবু ফাউল।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের ঘটনা ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার নিয়মিত নিপীড়নের প্রমাণ বহন করে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে।
ডেস্ক রিপোর্ট