সূত্র অনুযায়ী, নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র–কাতার চুক্তির মডেল অনুসরণ করছে, যেখানে সৌদি আরবের ওপর যেকোনো হামলাকে আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই চুক্তির জন্য মার্কিন সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না, যা বাইডেন প্রশাসনের জন্য প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্নের পথ খুলে দিচ্ছে।
প্রাক্তন মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চুক্তির কিছু ধারা এখনো পরিবর্তনাধীন থাকলেও এর মূল কাঠামো প্রায় নির্ধারিত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধের পর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানকেন্দ্রিক নতুন কৌশলে মনোযোগী। সেই লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র আরব দেশগুলোকে একে একে নিরাপত্তা জোটে যুক্ত করছে, যাতে সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্রে একটি ঐক্যবদ্ধ সামরিক কাঠামো গড়ে তোলা যায়।
এই চুক্তি কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের ভারসাম্য পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা শুধু ইরান নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা স্থিতিতেও নতুন মাত্রা যোগ করবে।
ডেস্ক রিপোর্ট